আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের চেন্নাইয়ে নন্দিনী নামের এক সফটওয়্যার প্রকৌশলী নারীর জন্মদিনে তাকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে তারই ছোটবেলার সহপাঠী মহেশ্বরী। নন্দিনীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন মহেশ্বরী। এজন্য লিঙ্গ পরিবর্তন করে নারী থেকে পুরুষেও পরিণত হন তিনি।
ভারতের চেন্নাইয়ের দক্ষিণ শহরতলির কেলামবাক্কামের কাছে থালাম্বুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। অভিযুক্ত মহেশ্বরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, নন্দিনী এবং মহেশ্বরী কিশোর বয়সে একই গার্লস স্কুলে পড়াশোনা করেছেন, তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বও ছিল। এক পর্যায়ে মহেশ্বরী নন্দিনীর প্রেমে পড়েন। এমনকি নন্দিনীকে বিয়ে করতে নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন করেন মহেশ্বরী। এরপর নন্দিনীকে বেশ কয়েকবার প্রেমের প্রস্তাব দেন তিনি। কিন্তু বারবারই তা প্রত্যাখ্যান করেন নন্দিনী। এতে এক সময় তাদের বন্ধুত্বে ফাঁটল ধরে।
আট মাস আগে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বিএসসি ডিগ্রি শেষ করার পরে নন্দিনী চেন্নাইয়ে চাকরি পান এবং সেখানে তার মামার কাছে চলে যান। একদিন মহেশ্বরী ফোন করে নন্দিনীকে তার সাথে কিছু সময় কাটাতে বলেন। দুজনের সাক্ষাৎ শেষে তিনি নন্দিনীকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেয়ার কথা বললে রাজি হন নন্দিনী।
বাড়ি যাওয়ার পথে মহেশ্বরী একটি নির্জন জায়গায় গাড়ি থামান এবং নন্দিনীকে সেখানে ছবির তোলার জন্য পোজ দিতে বলেন। এক পর্যায়ে মহেশ্বরী তার বাইক থেকে একটি শিকল বের করে নন্দিনীর হাত-পা বেঁধে ফেলেন। পরে তার ঘাড় ও হাত ব্লেড দিয়ে কেটে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেন।
ভারত/এমএএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply