২০ জুলাই ২০২২ (নিউজ ডেস্ক): দেশে সারের কোন সংকট হবে না, তবে রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ভর্তুকি আরও বাড়বে। এমনটাই বলেছেন কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, তাতে আগামী বোরো মৌসুম পর্যন্ত কোন সমস্যা হবে না।
বুধবার সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড এর সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের কারণে রাশিয়া ও বেলারুশ থেকে সার আমদানি করা যাচ্ছে না। তবে সরকারের ত্বরিত পদক্ষেপে বিকল্প উৎস কানাডা থেকে সার আনা সম্ভব হচ্ছে। টিএসপি, এমওপি ও ডিএপি সারের যে মজুদ রয়েছে, তা আগামী বোরো মৌসুম পর্যন্ত চলবে।
যমুনা ও চট্টগ্রাম সার কারখানা ২টিতে গ্যাস সংকটের কারণে সার উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইউরিয়া সার নিয়ে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। বলেন, কারখানা ২টি চালু করার জন্য সরকার চেষ্টা করছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে, ইউরিয়া সার আমদানিতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হবে এবং সারে ভর্তুকির পরিমাণ আরও বাড়বে। এছাড়া গ্যাস সংকটের কারণে সার কারখানা বন্ধ হলে, খাদ্য উৎপাদন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হবে।
রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠকে মন্ত্রী কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণে সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কামনা করেন। রাশিয়ার উপর পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশ সার আমদানি করতে পারছে না এবং এর ফলে সরকারকে সারে অতিরিক্ত ২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বলে রাষ্ট্রদূতকে জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, সার রপ্তানিতে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া উচিত।
রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড সুইজারল্যান্ডের বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরকে বাংলাদেশে আনার ব্যাপারে সহযোগিতা করবেন বলে উল্লেখ করেন।
কৃষিমন্ত্রী/এসকেএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply