নিউজ ডেস্ক: দেশে পর্যাপ্ত পরিমান খাদ্য মজুত রয়েছে, কোন ধরনের খাদ্য ঘাটতি নেই। এমনটাই জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। বলেছেন, দেশে একই জমিতে বছরে তিনবার ফসল ফলে। ফলে, খাদ্য সংকটের কোন সম্ভাবনা নেই।
শনিবার নিয়ামতপুরের তালতলিতে তাল পিঠা মেলায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদ এ মেলার আয়োজন করে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার উন্নয়নকে কোনভাবে বাধাগ্রস্থ করা যাবে না। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। ভবিষ্যতেও দেশের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
একাত্তরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে আজ এ তাল মেলা আয়োজন সম্ভব হতো না উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী। বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পৃথিবীব্যাপী নানা সংকট তৈরি হয়েছে। মানুষের কষ্ট হচ্ছে এটা ঠিক, তবে এ সময় আমাদের সহনশীল হতে হবে।
তাল পিঠা বাঙালির চিরায়ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অংশ উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ঐতিহ্য ধরে রাখতে তাল পিঠা মেলা বিশেষ ভূমিকা রাখবে। বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে মিশে আছে পিঠা পুলির উৎসব।
তালগাছ রোপণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, একসময় এ অঞ্চলের বাবা-মায়েরা মেয়ের বাড়িতে তালের পিঠা নিয়ে যেত। তালগাছ কমে যাওয়ায় জামাইয়ের বাড়িতে পিঠা পাঠানোর ঐতিহ্য দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। তখন মনে করলাম এ ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। তাছাড়া তালগাছ বজ্রপ্রতিরোধক, তাই তালগাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
দিনব্যাপী এ পিঠা মেলায় তালের তৈরি নানান ধরনের পিঠার পসরা নিয়ে হাজির হয়েছেন এ অঞ্চলের পিঠাশিল্পীরা। এবার ৫০টিরও বেশি স্টলে প্রায় ৩০ ধরনের পিঠা দিয়ে সাজানো হয়েছে এ মেলা।
উল্লেখ্য, তালতলিতে ১৯৮৬ সালে তাল গাছ রোপণ করেন তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তালতলির তালসড়ক এখন এ অঞ্চলের পর্যটন স্পটে পরিণত হয়েছে। এখানে ২০২১ সালে প্রথমবার তাল পিঠা মেলা আয়োজন করা হয়।
খাদ্যমন্ত্রী/এসকেএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply