নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৬৮ লাখ ৪২ হাজার ৫শ’ টন সারের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।
সোমবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
বর্তমান সরকারকে কৃষকবান্ধব সরকার বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদন বজায় রাখতে সারের দাম বাড়ানো হবে না। সারের কোনরকম সংকটও হবে না।
ডক্টর আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গত ১৪ বছরে সারের কোন সংকট হয়নি। সারের সংকটের কথা মানুষ ভুলে গেছে, সার নিয়ে কোন মানুষের মধ্যে কোনরকম শঙ্কা নেই। অথচ বিএনপির আমলে কৃষক সার পায়নি, সারের জন্য আন্দোলন করতে হয়েছিল, ১৯ জন কৃষককে সে সময় প্রাণ দিতে হয়েছিল।
তিনি বলেন, যে কোনও পরিস্থিতিতে খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সরকার সার নিয়ে কোন সংকট সৃষ্টি হতে দেবে না। সার নিয়ে যাতে কোন কৃষককে ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের বলতে চাই, এ বছরও আমাদের সারের দাম বৃদ্ধির কোন পরিকল্পনা নেই। সারের দাম বাড়ানো হবে না।
স্থানীয়ভাবে সার উৎপাদনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ডক্টর আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এখন বিসিআইসির (বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন) সার কারখানাগুলোর যে সক্ষমতা আছে, যদি গ্যাস সরবরাহ করা যায় তাহলে খুব কম পরিমাণে বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে বা আমদানি করতে হবেই না। আমরা এমন অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছি।
চলতি অর্থবছরে সারে কতটা ভর্তুকি দিতে হবে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বছর শেষ হওয়ার আগে তা বলা যাচ্ছে না। তবে সবশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হয়েছে, আরও ১১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। বছরে শেষে বলা যাবে আসলে কত টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।
আগামী অর্থবছরে ২৭ লাখ টন ইউরিয়া, ১৬ লাখ টন ডিএপি, সাড়ে ৭ লাখ টন টিএসপি, ৯ লাখ টন এমওপি, ৩০ হাজার টন এমওপি, ৩০ হাজার টন এনপিকেএস, সাড়ে ৫ লাখ টন জিপসাম, এক লাখ ৪০ হাজার টন জিংক সালফেট, ২ হাজার ৫শ’ টন অ্যামোনিয়াম সালফেট, ৯০ হাজার টন ম্যাগনেশিয়াম সালফেট এবং ৫০ হাজার টন বোরন প্রয়োজন হবে বলেও জানানো হয়।
কৃষিমন্ত্রী/এসকেএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply