ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে রিমান্ডে চায় পুলিশ

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে রাসেল ও তার স্ত্রীকে হাজির করে তাদের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হওয়া মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাসেল ও শামীমাকে ১০ দিন করে রিমান্ডে নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রাজধানীর গুলশান থানার এ মামলায় বেলা তিনটার দিকে শুনানি হবে।

রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমাকে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। র‍্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন শেষে আজ রাসেল ও শামীমাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। এর আগে গত বুধবার গভীর রাতে আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেন।

গ্রেপ্তারের বিষয়ে আজ র‍্যাব সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, ইভ্যালির কারসাজির মূল হোতা রাসেল। স্ত্রী শামীমা তার অন্যতম সহযোগী। গ্রেপ্তারের পর কোম্পানির দায় ও দেনা সম্পর্কে তাদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইভ্যালির মোট দেনা ৪০৩ কোটি টাকা। ইভ্যালির চলতি সম্পদ ৬৫ কোটি টাকা। বিভিন্ন পণ্য বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে তারা অগ্রিম নিয়েছে ২১৪ কোটি টাকা। বিভিন্ন গ্রাহক ও কোম্পানির কাছে ইভ্যালির বকেয়া প্রায় ১৯০ কোটি টাকা।

র‍্যাব জানায়, রাসেল ও শামীমাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ইভ্যালির আরও দায়–দেনা রয়েছে। ইভ্যালির মোট দেনার পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকার বেশি বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই লোকসানি কোম্পানি। তারা কোনো ব্যবসায়িক লাভ করতে পারেনি।

ইভ্যালি/এসকেএম

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে:

https://www.youtube.com/channel/UCC2oLwZJYHIEygcbPX3OsWQ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *