১ জুলাই ২০২১ (আন্তর্জাতিক ডেস্ক, চীন): চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং অবনমিত উপনিবেশ থেকে বৃহৎ শক্তিতে দেশটির ‘অপরিবর্তনীয়’ উত্থানের প্রশংসা করেছেন। বলেছেন, কমিউনিস্ট পার্টি জাতির পুনরুজ্জীবন ঘটিয়েছে। দারিদ্রের কবল থেকে নিষ্কৃতি দিয়েছে লাখ লাখ চীনাকে। পাল্টে দিয়েছে বিশ্ব উন্নয়নের মানচিত্র। শি বলেন, চীন কে বোকা বানানোর দিন চলে গেছে।
বৃহস্পতিবার চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শততম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দেয়া বক্তৃতায় তিনি এ প্রশংসা করেন। তিয়েন আনমেন স্কয়ারে যে মঞ্চে দাঁড়িয়ে ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং পিপলস রিপাবলিক অব চায়নার ঘোষণা দিয়েছিলেন সেখান দাঁড়িয়ে তিনি এ বক্তৃতা দেন।
শি জিনপিং আয় বৃদ্ধি ও জাতীয় গর্ব পুনরুদ্ধারের জন্যে পার্টির প্রশংসা করেন। এ সময়ে তার মাথার উপর ঝুলছিল মাও সেতুংয়ের বিশাল বড়ো প্রতিকৃতি।
মাও সেতুংয়ের মত জ্যাকেট পরা শি আরও বলেন, চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবন একটি অপরিবর্তনীয় ঐতিহাসিক ধারাক্রমে প্রবেশ করেছে।
চীনের আরও খবর: মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছেন চীনা নভোচারী
এদিকে, আড়ম্বরপূর্ণ ও দেশপ্রেমমূলক এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার গায়ক গায়িকা ব্যান্ডের তালে তালে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। তারা পতাকা নাড়িয়ে উল্লাস করেন।
উল্লেখ্য, মাও সেতুং পরবর্তী চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতা হিসেবে শি কে বিবেচনা করা হয়। তার নেতৃত্বে কমিউনিস্ট পার্টি চীনে আরও ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছে। কোভিড মহামারী জয় থেকে শুরু করে বিশ্ব মঞ্চে অবস্থান শক্ত করা পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই এগিয়েছে চীন।
শি জিনপিং কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাব বিস্তারে বড় ভূমিকা রেখেছেন। ২০১২ সালে তিনি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি হন এবং ২০১৩ সালের মার্চে চীনের প্রেসিডেন্ট হন। তার নেতৃত্বে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটির বেশি।
স্মর্তব্য, ১৯২১ সালের গ্রীষ্মে মাও এবং মাক্সবাদী-লেনিনবাদী চিন্তাবিদরা মিলে সাংহাইয়ে কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর এটি বিশ্বের অন্যতম একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংস্থায় রূপ নেয়।
শি জিনপিং/আরএম/রমু
চীন সম্পর্কে আরও খবর: চীনের সতর্ক বাণী দুর্ভাগ্যজনক
















Leave a Reply