২৬ এপ্রিল ২০২১ (আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কুয়েত): সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের কারাদণ্ডের মেয়াদ বাড়িয়েছে কুয়েতের আদালত। একই সাথে দেয়া হয়েছে অর্থদণ্ডও।
সোমবার কুয়েতের একটি আপিল আদালত তার সাজার মেয়াদ ৩ বছর বাড়িয়েছে। নতুন রায়ে তাকে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে ৭ বছর। পাশাপাশি জরিমানা করা হয়েছে ২০ লাখ কুয়েতি দিনার। খবর: দৈনিক আল কাবাস।
দৈনিক আল কাবাস দেশটির পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কার্যালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, পাপুলের বিরুদ্ধে দুইটি মামলা ছিল। এর একটিতে তার ৪ বছরের কারাদণ্ড হয়। পরে এ রায়ের বিপক্ষে পিপি কার্যালয় আপিল করে। আপিলে তার কারাবাসের সময় বাড়িয়ে ৭ বছর করা হয়। একই সাথে দেয়া হয় ২০ লাখ কুয়েতি দিনারের অর্থ দণ্ড।
ঘুষ লেনদেন ও মানব পাচারের অভিযোগে কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের কারাদণ্ড হয়। অন্য মামলাটি করা হয়েছিল অর্থ পাচারের অভিযোগে। অর্থ পাচারের দায়ে করা মামলাটি এখনও বিচারাধীন।
কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল লক্ষ্মীপুর-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ২০১৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ঘুষ ও মানব পাচারের দায়ে কুয়েতের আদালতে দণ্ডিত হওয়ার পর তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল করা হয়।
উল্লেখ্য, পাপুল আর্থিকভাবে ছিলেন অনেকটাই নিঃস্ব। একটি প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার হিসেবে চাকরি নিয়ে তিনি ১৯৮৯ সালে কুয়েত যান। ১৯৯০ সালে ইরাক কুয়েত দখল করে নিলে তিনি দেশে ফিরে আসেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি আবার কুয়েত যান।
এরপর তিনি জড়িয়ে পড়েন মানব ও অর্থ পাচারে। এই অভিযোগে গেল বছরের ৬ জুন তাকে আটক করে কুয়েতি পুলিশ। আটকের চার মাস পর শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। সাড়ে তিন মাসের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করে।
পাপুল/এএমএম/আরএম
















Leave a Reply